Oplus_131072
উচ্চ বেতনে চাকরি ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার প্রলোভন দেখিয়ে চীনে পাচারের উদ্দেশ্যে আটকে রাখা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ১২ নারী ও কিশোরীকে উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-১)।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এসআরবি-১-এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (অপারেশনস ও মিডিয়া অফিসার) শাহ আলম।
তিনি জানান, নিখোঁজের ঘটনায় গত ১৮ অক্টোবর চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। ওই জিডির ভিত্তিতে গত ২৬ অক্টোবর বিকেল ৩টার দিকে রাজধানীর উত্তরার যমযম টাওয়ার-সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মেমাচি মারমা (১৫) ও মাংশানু মগনিকে (১৮) উদ্ধার করা হয়।
পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন রাত ৮টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত ভাটারা থানাধীন এল ব্লকের ৫৬ নম্বর রোডের ২৯৪১ নম্বর বাসায় অভিযান চালিয়ে আরও ১০ জনকে উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার হওয়া নারীদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, উচ্চ বেতনে চাকরি ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার প্রলোভন দেখিয়ে তাদের চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়। পরে কোনো বৈধ ভ্রমণসংক্রান্ত কাগজপত্র ও পাসপোর্ট ছাড়াই বিদেশে পাচারের উদ্দেশ্যে তাদের ওই বাসায় আটকে রাখা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ সময় তাদের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয় এবং বিভিন্ন অনৈতিক কাজে জড়ানোর প্রলোভন দেখানো হয় বলেও জানিয়েছে এসআরবি।
উদ্ধার হওয়া নারী ও কিশোরীদের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শেষে পরিবারের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীদের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার কার্যক্রম চলছে বলে জানান এসআরবি-১-এর এই কর্মকর্তা।
উদ্ধার হওয়া ১২ জন হলেন: মেমাচি মারমা (১৫), মাংশানু মগনি (১৮), রেখা চাকমা (২৮), ক্যানচি চাকমা (২২), বিরুপতি চাকমা (২৮), পূণ্যরেখা চাকমা (২৮), চাইছাইও মার্মা (২২), কৃষ্টিনা রোয়ালময় বৈল্টুং (১৯), পুষ্পিতা চাকমা (২১), পিংকি চাকমা (১৫), ববিতা চাকমা (২৭) ও আদর্শী চাকমা (২১)।
রাজশাহী বুলেটিন ২৪