Oplus_131072
নোয়াখালীর সেনবাগে পুলিশের অভিযানে একটি মিনি ট্রাক থেকে ৬২ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ট্রাকের হেলপার সৈয়দ নুর (৩৩) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে ট্রাকচালক মোঃ শাহেদ (৩৫) পালিয়ে গেছেন।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর ২০২৬) রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে সেনবাগ উপজেলার কবিলপুর ইউনিয়নের ফেনী-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের উত্তর পাশে সেনবাগ রাস্তার মাথা এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।
নোয়াখালী জেলা পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জেলা পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিনের দিকনির্দেশনায় সেনবাগ থানা পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় নোয়াখালী থেকে ফেনীগামী একটি নীল রঙের পোটন (POTON) মিনি ট্রাককে থামার সংকেত দেওয়া হয়। গাড়িটি থামানোর পর চালক ও হেলপার পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় হেলপার সৈয়দ নুরকে আটক করা সম্ভব হলেও চালক মোঃ শাহেদ পালিয়ে যান।
পরে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে আটক ব্যক্তির দেখানো মতে মিনি ট্রাকটির ডান পাশের বডির নিচে বিশেষ কায়দায় লুকানো ১৩টি প্যাকেট থেকে ৬২ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা ইয়াবার ওজন ৬ কেজি এবং আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ৮৬ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত ঢাকা মেট্রো-ড-১২-৭৫৮৪ নম্বরের নীল রঙের মিনি ট্রাক এবং আটক ব্যক্তির ব্যবহৃত একটি পুরোনো আইটেল স্মার্টফোন জব্দ করা হয়।
পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক হেলপার সৈয়দ নুর দাবি করেন, উদ্ধার করা ইয়াবাগুলো পলাতক চালক মোঃ শাহেদ, গাড়ির মালিক মোঃ রবিউল আলম (৩২) এবং অজ্ঞাতনামা আরও দুই থেকে তিনজনের সহযোগিতায় কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল। পরে নোয়াখালীর চরজব্বর হয়ে নরসিংদীতে বিক্রির উদ্দেশ্যে সেগুলো নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে তিনি জানান।
এ ঘটনায় আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে অভিযানের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মোঃ আরিফ হোসেন।
পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে সেনবাগ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। পলাতক ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার এবং মাদকের উৎস ও এর সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।